’ডেটা সুরক্ষা আইনে বিদেশী বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে না’
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউরোপিয় ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীর একটি হোটেলে চলছে দুই দিনের সাইবার সুরক্ষা সিম্পোজিয়াম। বুধবার সকালে শুরু হওয়া এই সিম্পোজিয়ামে সুরক্ষিত থাকতে ভবিষ্যত পথ নকশা নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সিম্পোজিয়াম প্যানেল আলোচনা ছাড়াও রয়েছে মোট ৮টি সেশন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স নির্বাহী কমিটির চিফ কনসালটেন্ট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য রাখেন ইতালির সাইবার সিকিউরিটি কম্পিটিন্স সেন্টারের প্রধান মার্টিনা কাসটিগলিওনি, ক্রোশিয়ার ইনফোবিব প্রতিনিধি জুরিকা কুলার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইটি’র অধ্যাপক বিএম মইনুল হোসাইন ও বুয়েট’র সিইসি বিভাগের অধ্যাপক সোহরাব হোসাইন।

আলোচনায় সাইবার বিষয়ে গণসচেতনতা গড়ে তোলার বিকল্প নেই এবং তরুণদের সাইবার দক্ষতা উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জোর দেয়ার পাশাপাশি দেশীয় সল্যুশন ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কফি বিরতির পর ইউরোপিয় ইউনিয়নের নেটওয়ার্ক অ্যান্ড ইনফরমেশন সিকিউরিটি আইনের দ্বিতীয় সংস্করণ নিয়ে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আইন ও নীতিমালা কাঠামো নিয়ে একটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই সেশনে এনএস২ নিয়ে উপস্থাপনা দেন জুরিকা কুলার ও তারেক মোসাদ্দেক বরকতুল্লাহ। বক্তব্যে তারেক বরকতুল্লাহ জানান, বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক সুরক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের আইনি কাঠামো ইউরোপিয় মানের। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে সচেতনতা গড়ে তোলার পাশাপাশি, আইটি নিরীক্ষা শুরু করা হচ্ছে। প্রয়োজনের কারণে সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি সাইবার দুবৃত্তপনা দেখভাল করে। আর ডেটা প্রোটেকশন কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্রীয় স্বার্থে আইন বাস্তবায়নে ডেটার সুরক্ষা দিচ্ছে। তবে এগুলো বিদেশী বিনিয়োগে বাধা হবে না। আমাদের আইন প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে যথেষ্ট ভালো। তবে প্রয়োজন হলে আলাদা আলাদা কর্তৃপক্ষ গঠনের বিষয়ে ইউরোপিয় আইন সংশোধন হতে পারে।







